Fri. Aug 14th, 2020

Dakter Achen

Forget Medicine, GO With Nature

এই ধরনের বিপদজনক রোগের লক্ষণ সমূহ আপনার শরীরে দেখা দিচ্ছে না তো?

1 min read

গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষদের তুলনায় নারীরা অতি দ্রুত রোগাক্রান্ত হয়। ধরুন, কেউ একজন ব্যথা অনুভব করছে। এখন কি এটি তার পিরিয়ডের আগের  ব্যাথা না অন্য কোন কারণে হচ্ছে এটা বুঝতেই একটি মেয়ের বেশ কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন হয়।

যদি মনে হয় আপনার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন বা লক্ষণ দেখা দিচ্ছে তবে দেরী না করে অতিসত্তর চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ অনেক বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, প্রাথমিক পর্যায়ে যদি স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে তবে ৯০ শতাংশ কেসে দেখা গেছে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুস্থ হয়ে যায়।

আমাদের আজকের আর্টিকেলে এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হবে যা ইঙ্গিত করবে ভবিষ্যতে আপনার জন্য গুরুতর কোন রোগ অপেক্ষা করছে কিনা সে সম্পর্কে।

 

প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে যাওয়াঃ

প্রস্রাব বৃদ্ধি আপনার কিডনি বা মূত্রনালীর সমস্যা ছাড়া আরো  কিছুর লক্ষণ হতে পারে।  এটি হরমোন ভারসাম্যহীনতার দিকে নির্দেশ করতে পারে বা ইঙ্গিত দিতে পারে যে যোনি মাইক্রোফ্লোরাতে কিছু সমস্যা আছে।

যদি আপনি ঘন ঘন প্রস্রাব করেন এবং খুব তৃষ্ণার্ত বোধ করেন তবে এটি ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। যদি আপনি স্বাভাবিক পরিমাণে জল পান করেন তবে দিনে ৪ থেকে ১০ বার বাথরুমে যাওয়া স্বাভাবিক। এর বেশী হলে ইউরোলজিস্টের শরনাপন্ন হওয়া উচিত।

diseases symptoms

হঠাৎ ওজন হ্রাস:

অল্প সময়ের মধ্যে যদি কয়েক পাউন্ড ওজন কমে যায় তবে আনন্দিত হবেন না।  কখনো কখনো, এটি ক্রোহন ডিজিজ, টাইপ ২ ডায়াবেটিস বা ক্যান্সারের মতো জিনিসগুলির লক্ষণ হতে পারে।

এই লক্ষণটির অর্থ এই যে নিশ্চয় শরীরে কিছু একটার ঘাটতি আছে। যদি কোন রকম শারীরিক শ্রম বা ডায়েটের পরিবর্তন  ছাড়াই ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে ১০-১৫ পাউন্ড কমে যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

 

অবাঞ্চিত লোমঃ

হিরসুটিজম বা অতিরিক্ত শরীরের চুলের অর্থ শরীরে হরমোনজনিত সমস্যা রয়েছে। এই ধরনের পরিবর্তন বন্ধ্যাত্ব, বিপাক ব্যাধি বা এমনকি স্তনের ক্যান্সার এবং এন্ডোমেট্রিয়াল রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অনেকের স্বাভাবিক ভাবেই শরীরে লোমের পরিমাণ বেশী থাকে। এতে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।

যদি হঠাৎ যেসকল জায়গায় লোম বা চুল থাকার কথা নয় সেসব স্থানে চুলের উপস্থিতি টের পান তবে বিষয়টি হালকা ভাবে নেবেন না।

 

মেনোপজের পরে রক্তপাতঃ

মেনোপজের পরে মহিলারা প্রায়ই রক্ত ​​লক্ষ্য করেন।  এই রক্ত ​​জরায়ু ক্যান্সার, জরায়ুর প্রদাহ, মায়োমা এবং অন্যান্য বিপজ্জনক রোগগত প্রক্রিয়াগুলির লক্ষণ হতে পারে। যে মহিলারা হরমোন থেরাপি নেন তাদের জন্য মেনোপজের পরে প্রায় দুই বছর ধরে  এমন কিছুর অভিজ্ঞতা  স্বাভাবিক। অন্যান্য ক্ষেত্রে এটি বিপদজনক হতে পারে।

 

স্তনে কোনো পরিবর্তনঃ

স্তন ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণগুলো চিহ্নিতকরণ বেশ কষ্টসাধ্য।  যখন স্তন এবং লসিকা নোডগুলিতে ব্যথা অনুভূত হয় তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে বলে গণ্য করা হয়।

নিজের পরিবর্তন গুলোকে কখনো হেলার চোখে দেখবেন না। লাল বা কুঁচকানো ত্বকের মতো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। নির্দিষ্ট সময়ে স্তনে ব্যথা অনুভব করা (বিশেষত একটি পিরিয়ডের আগে) বেশ স্বাভাবিক এবং এটি সাধারণত হরমোনের মাত্রায় ওঠানামা নির্দেশ করে।

বাকী ধাপ গুলো জানার জন্য এই লিঙ্ক ভিসিট করুন


 

অস্বাভাবিক মলমূত্রঃ

এই ধরনের সমস্যা তখনই দেখা যায় যখন শরীরে কোন ইনফেকশন হয়। এর জন্য অনেক গুলো কারণ থাকতে পারে। মলমূত্র সবুজ হওয়া বা অপ্রীতিকর গন্ধ ভিন্ন কিছু ইঙ্গিত করে। তবে পিরিয়ডের সময় (প্রায় পরবর্তী সপ্তাহের ২ সপ্তাহ আগে) এই ধরনের কিছু স্বাভাবিক।

 

অস্বাভাবিক পিরিয়ডঃ

এর জন্য অনেক গুলো কারণ থাকতে পারে। যেমনঃবংশগত অবস্থা, জলবায়ুর সাথে সামঞ্জস্যতা, অতিরিক্ত জিম বা ভারী কাজ, জরায়ু মায়োমা, এন্ডোমেট্রিওসিস থাইরয়েড ডিসফংশন ও হতে পারে।

পিরিয়ড অতিরিক্ত কিনা না তা বোঝা শক্ত, তবে সাধারণত, যদি সময়কাল ৭ দিনের বেশি দীর্ঘ হয় তবে এটি একটি বিপদজনক চিহ্ন, বিশেষত যদি রঙ উজ্জ্বল লাল হয়।

একটি সাধারণ পিরিয়ড চক্র ২১ থেকে ৩৫ দিন পর্যন্ত দীর্ঘ হয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো স্থিতিশীল হওয়া।

পিরিয়ডজনিত সমস্যার জন্য  স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা ম্যামোলজিস্টকে দেখাতে  লজ্জা বোধ করবেন না (বছরে কমপক্ষে ২ বার দেখানো উচিত ) এবং তাদের সাথে আপনার সমস্যা সমূহ নিয়ে সব আলোচনা করুন।

 

Writer Courtesy : Puja Dhar 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *