(Cell Phone Side Effects)সেল ফোনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: এভাবেই আপনার মোবাইল আপনার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়!

Sharing is caring!

আপনার কমপক্ষে 7-8 ঘন্টা ঘুম দরকার। কিন্তু স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার অধিকাংশ নাগরিকের অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মোবাইল, স্মার্টফোন এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে, এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। একটি বোতাম ধাক্কা দিয়ে, আমরা বিশ্বজুড়ে মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারি। শুধু তাই নয়, ইন্টারনেটের সাহায্যে আমরা পৃথিবীর সবকিছু সম্পর্কে তথ্য পেতে পারি। 

সুতরাং আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার একটি স্মার্টফোন কতটা প্রয়োজন। যাইহোক, আপনি কি জানেন যে মোবাইল আপনার স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে? মোবাইলেরও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। ফোনে ক্রমাগত স্ক্রোলিং ঘাড় এবং চোখের রোগের কারণ। তাহলে আসুন জেনে নিই ঠিক কি কি রোগ হয় এই মোবাইল দিয়ে।

মোবাইলে চোখের রোগ বেড়েছে …

চোখ আমাদের শরীরের সবচেয়ে সূক্ষ্ম অঙ্গ। স্মার্টফোনটি অতিরিক্ত ব্যবহারের সাথে সাথে এর নীল পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।স্মার্টফোনের স্ক্রিন ফটোরিসেপ্টরের ক্ষতি করতে পারে। মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, শুষ্ক চোখ ইত্যাদি রোগ শুরু হয়। 

আপনার স্মার্টফোন এর জন্য দায়ী। চোখের বিশ্রাম দরকার। 20 মিটার দূরত্বে স্থাপিত বস্তুর উপর ফোকাস করুন। ঘন ঘন চোখ পরীক্ষা করা উচিত।

cell phone side effects

কার্পাল টানেলের ভ্যাল শিকার

আপনি যদি দিনে 5-6 ঘন্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি কার্পাল টানেলের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কৈশোরে শিশুদের মধ্যে কার্পাল টানেলের সমস্যা বেশি দেখা যায়। 

সাম্প্রতিক সময়ে হাতের ব্যথা, মাথার অসাড়তা, নিচের হাতে টিংলিংয়ের মতো সমস্যা বেড়েছে। অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। পিঠে ব্যথার সমস্যাও বেড়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই সব সমস্যা স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে হয়।

অনেক অনলাইন গবেষণায় দেখা গেছে যে সেল ফোন বিভিন্ন ধরণের কীটপতঙ্গ এবং ভাইরাসের আবাসস্থল। সেলফোনের মাধ্যমে ভাইরাস আপনার ত্বকের সংস্পর্শে আসে।

আপনার কমপক্ষে 7-8 ঘন্টা ঘুম দরকার। কিন্তু স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার অধিকাংশ নাগরিকের অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার মনের অতিরিক্ত চাপ যোগ করেছে। মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইন্টারনেটে বসে থাকা আমাদের স্বাস্থ্যের ভারসাম্য নষ্ট করে দিয়েছে। তাই আমাদের নিজেদের জন্য কিছু নিয়ম তৈরি করতে হবে। খাওয়ার সময় স্মার্টফোনের দিকে তাকাবেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনার স্মার্টফোনের দিকে তাকান না।